সেলিম আল দীনের ‘বাংলা সাহিত্যে’র বি-উপনিবেশিকরণ প্রকল্প এবং সর্বজাতি জাতীয় সাহিত্যের রূপরেখা প্রণয়ন প্রসঙ্গে

  ১. প্রস্তাবনা গত ১৫ মার্চ ২০১৫ স্টার প্লাস চ্যানেলে জিমা (GIMA) এওয়ার্ড অনুষ্ঠানে একটি বিভাগ দেখলাম ফোক সং। এ বিভাগে একজন শিল্পীকে রবীন্দ্রসংগীতের অ্যালবামের

সেলিম আল দীনের ‘বাংলা সাহিত্যে’র বি-উপনিবেশিকরণ প্রকল্প এবং সর্বজাতি জাতীয় সাহিত্যের রূপরেখা প্রণয়ন প্রসঙ্গে পুরো লেখা পড়ুন»

ছবি: লাবিব হোসেন

পানি, বন্যা ও শহর ভাবনার ঔপনিবেশিকতা: বিউপনিবেশিক দৃষ্টিভঙ্গি

বিভিন্ন সময়ে শহরকে মানব দেহ, জৈব দেহ, যন্ত্র, দ্বিতীয় প্রকৃতি ইত্যাদির সাথে তুলনা করা হয় এবং হাল আমলে তৃতীয় এমনকি চতুর্থ প্রকৃতি হিসেবেও ধারণা দেওয়া হয়। এইসব ধারণাতে ধরে নেয়া

পানি, বন্যা ও শহর ভাবনার ঔপনিবেশিকতা: বিউপনিবেশিক দৃষ্টিভঙ্গি পুরো লেখা পড়ুন»

ছবি: সামজীর আহমেদ

বাংলাদেশের পুলিশি সংস্কৃতির ঝোঁক: উপনিবেশের দায়

পুলিশি আচরণ, অসদাচরণ এবং অপরাধের কারণ হিসেবে ব্যক্তি পুলিশ বা সে যে আর্থ–সামাজিক প্রেক্ষাপট থেকে উঠে এসেছে, তাকে দায়ী করার চল দীর্ঘদিনের। ভারতীয় অঞ্চলে আধুনিক পুলিশের গোড়পত্তনের প্রাক্কালেই বৃটিশ কর্তৃক

বাংলাদেশের পুলিশি সংস্কৃতির ঝোঁক: উপনিবেশের দায় পুরো লেখা পড়ুন»

ছবি: সামজীর আহমেদ

পুলিশ যখন সরকারের, পুলিশ যখন জনগণের: বাংলাদেশ পুলিশের ঔপনিবেশিক উত্তরাধিকার

সরকারের অংশ হিসেবে পুলিশের প্রধানতম কাজ হচ্ছে জনগণের নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করা এবং সেই সঙ্গে সরকারের চলমানতায় সৃষ্টি হওয়া আইনসংক্রান্ত ব্যাঘাত নিরসনে সাহায্য করা। এই দুটো বিষয় আবার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে

পুলিশ যখন সরকারের, পুলিশ যখন জনগণের: বাংলাদেশ পুলিশের ঔপনিবেশিক উত্তরাধিকার পুরো লেখা পড়ুন»

ছবি: মোহাম্মদ আজম

বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণের উপনিবেশায়ন

ঔপনিবেশিকরা আমাদের ইতিহাস, ভাবনা, সাহিত্য, সংস্কৃতিকে যে-ভাবে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছিল এবং ইতিহাসবিহীন, পিছিয়ে-পড়া, আদিম, বর্বর, রহস্যময়, অভদ্র সংস্কৃতির মানুষ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল এ চিহ্নায়নের ভাষাভঙ্গি কী ছিল তা আমাদের একটু ফিরে দেখা প্রয়োজন। একই সাথে প্রয়োজন কীভাবে আধুনিকতার দোহাই দিয়ে বিভিন্ন প্রকল্প জারি করেছিল যা আজও আমরা অবিকৃত রেখে হেজিমনাইজড জাতি হিসেবে অনুসরণ করে চলেছি।

বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণের উপনিবেশায়ন পুরো লেখা পড়ুন»

ছবি: আনু মোহাম্মদ

উন্নয়ন দর্শন ও বিউপনিবেশীকরণ: ঈশ্বর কিংবা পুঁজির মুখোমুখি মানুষ ও প্রকৃতি

যে জ্ঞানকে বৈজ্ঞানিক বলা হচ্ছে, সেটা মানুষের জন্য কী ফলাফল আনবে তা নির্ভর করছে তার পেছনে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, মতাদর্শিক শক্তির ওপর। বাংলাদেশে এবং পৃথিবীব্যাপী বিজ্ঞানের যে ভূমিকা/ব্যবহার এখন দেখা যাচ্ছে তা প্রধানত মানুষ ও প্রকৃতি বিনাশী পুঁজির অধীনস্ত, তার দর্শন দ্বারা পুষ্ট। ফলে মানুষের ক্ষমতা, মানুষের জ্ঞান, বিজ্ঞানটাই আমাদের বিরুদ্ধে বিধ্বংসী রূপে হাজির হয়।

উন্নয়ন দর্শন ও বিউপনিবেশীকরণ: ঈশ্বর কিংবা পুঁজির মুখোমুখি মানুষ ও প্রকৃতি পুরো লেখা পড়ুন»

ছবি: সৈয়দ নিজার

বিউপনিবেশিত বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপরেখা

বিউপনিবেশিত বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপরেখা হল: ১. সর্বজনের জ্ঞান সর্বজনের জন্য। ২. সার্বিক জ্ঞানের নামে পশ্চিমা জ্ঞানকাণ্ডের শিক্ষা নয় বরং বিশ্ববিদ্যালয় সংবৃত জ্ঞানকাণ্ড বা জ্ঞানতাত্ত্বিক বহুত্ববাদ চর্চা। ৩. বিশেষায়নের নামে বিষয় ভিত্তিক জ্ঞানচর্চা জগত–জীবনবীক্ষা তৈরী করতে ব্যর্থ হয়। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভাগভিত্তিক বিভাজন না করে হওয়া উচিত পদ্ধতি ভিত্তিক। ৪. তা আঞ্চলিক এবং জাতীয় বিষয়ে জ্ঞানকাণ্ড নির্মাণের মধ্য দিয়ে বৈশ্বিক হবে।৫. যেহেতু সার্বিক জ্ঞান বলে কিছু নেই। তা পাঠও আত্মস্থ করার প্রয়োজন নেই। তাই শিক্ষার্থীর মূল উদ্দেশ্য প্রতিষ্ঠিত জ্ঞানের সঙ্কট চিহ্নায়ন এবং তা ছাপিয়ে গিয়ে নতুন জ্ঞান তৈরি। ৬. সাধনা মানে নিষ্ঠা, শ্রম এবং অধ্যবসায়ের মধ্য দিয়ে নতুন জ্ঞান তৈরি। তাদের মধ্যে সম্পর্ক শিক্ষক–শিক্ষার্থী নয়; উত্তর–সাধক এবং পূর্ব সাধকের সম্পর্ক।

বিউপনিবেশিত বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপরেখা পুরো লেখা পড়ুন»

বাংলাদেশের সংবিধান: উপনিবেশের উত্তরাধিকার

সংবিধানকে উপনিবেশিক ধারা থেকে মুক্ত করার উপায়—
(ক) সুষ্ঠু এবং গণতান্ত্রিক একটি নির্বাচন পদ্ধতি সুনিশ্চিত করা। (খ) এক ব্যক্তি কেন্দ্রিক ক্ষমতাকাঠামোর অবসান। (গ) রাষ্ট্রের সকল কাজে সংসদের কাছে জবাবদিহিতার ব্যবস্থা। সকল চুক্তি সংসদে প্রকাশ করা। (ঘ) সংসদ সদস্যদের যে কোন লাভজনক কাজে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা। (ঙ) জনগণের প্রতি দেয়া যে কোন প্রতিশ্রুতিকে বাধ্যতামূলক হিসেবে গ্রহণ করা। (চ) রাষ্ট্রের সকল আয়-ব্যায়কে সংসদের মাধ্যমে জনগণের কাছে উন্মুক্ত করা।

বাংলাদেশের সংবিধান: উপনিবেশের উত্তরাধিকার পুরো লেখা পড়ুন»

Scroll to Top