ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ: উপনিবেশায়ন ও উপনিবেশিকতা

বাংলা অঞ্চলের ইতিহাসে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শিক্ষানবিশ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণার্থে প্রতিষ্ঠা করা হলেও কলেজটি […]

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ: উপনিবেশায়ন ও উপনিবেশিকতা Read More »

সৈয়দ নিজারের সুলতান পাঠ: প্রসঙ্গ বিউপনিবেশায়ন

নিজারের বিউপনিবেশায়ন ভাবনা বোঝার ক্ষেত্রে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা চাই। খেয়ালের একটু অভাবেই জাতীয়তাবাদী প্রকল্পের সঙ্গে তাকে গুলিয়ে ফেলা সম্ভব। না। বিউপনিবেশায়ন কোনো জাতীয়তাবাদী প্রকল্প নয়। যদিও বাংলাদেশ, বাংলা-অঞ্চল ইত্যাদি শব্দ বারবার এখানে উচ্চারিত হয়েছে; তা করা হয়েছে শুধুমাত্র অঞ্চলগত অভিমুখিতার ইঙ্গিত দিতে। তার বিউপনিবেশায়ন চিন্তায় জাতীয়তাবাদী কোনো স্বর প্রচ্ছন্নভাবেও নিহিত নেই। কারণ জাতীয় ভাবের ছদ্মবেশে গড়ে ওঠা আধিপত্যবাদ সম্পর্কে তিনি সতর্ক। এই কারণে বিশ্লেষণের গোটা কৌশলটাকেই তিনি পৃথক উপায়ে গড়ে নিয়েছেন; যাতে জাতীয় ভাবের অথবা কোনো ধরনের কমিউনাল পরিচয়ের খপ্পরে তাকে পড়তে না হয়। তার এই কৌশলই ডিকলোনাইজেশনের অপরাপর তাত্ত্বিকদের সঙ্গে তার পার্থক্য গড়ে দেয়; যদিও আলাদা হওয়াটাই এখানে বড়ো কথা নয়; তারচেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বিদ্যমান ভাবনায় বিরাজমান সংকটগুলোকে উপেক্ষা না করা; নিজার তা উপেক্ষা করেননি।

সৈয়দ নিজারের সুলতান পাঠ: প্রসঙ্গ বিউপনিবেশায়ন Read More »

ঔপনিবেশিক সংস্কৃতি: জসীম উদ্দীন ও প্রতিরোধী প্রবর্তনা

যথারীতি জাতীয়তাবাদী অবস্থান থেকেই জসীম উদ্দীন ঔপনিবেশিক সংস্কৃতির বিরোধিতা করেছেন। এবং যতটা না ঔপনিবেশিক শাসনের তারচেয়ে বেশি ঔপনিবেশিক সংস্কৃতির বিরোধিতা করেছেন তিনি। বিরোধিতা করেছেন ঔপনিবেশিক শক্তির স্থানীয় ‘এজেন্ট’দের (Agent)। তাঁর এই বিরোধিতা ছিল আত্মসত্তার প্রতিষ্ঠার স্বার্থেই। জসীম উদ্দীনের আত্মপ্রতিষ্ঠার রাজনীতি মূলত বাঙালি মুসলমানেরই আত্মপ্রতিষ্ঠার রাজনীতি। যদিও এই রাজনীতি উপনিবেশিত বুর্জোয়াদের প্রভাবমুক্ত ছিল না। বরং নেতৃত্বে ছিল সেই বুর্জোয়া শ্রেণিই। তবে জসীম উদ্দীন খাঁটি বুর্জোয়া হয়ে উঠতে পারেননি—এবং এই বৈশিষ্ট্যের কারণেই তিনি গুরুত্বপূর্ণ। জসীম উদ্দীনকে পর্যালোচনার যাবতীয় শর্ত এই বৈশিষ্ট্যের অভ্যন্তরেই লুকায়িত।

ঔপনিবেশিক সংস্কৃতি: জসীম উদ্দীন ও প্রতিরোধী প্রবর্তনা Read More »

Scroll to Top